০৬:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুর্বার উন্নয়ন সংস্থার সহযোগিতায় চিতলমারীতে অসহায়দের মাঝে বস্ত্র বিতরণ

মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করল দুর্বার উন্নয়ন সংস্থা। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চিতলমারী প্রেসক্লাবের সহযোগিতায় উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে ঘুরে অসহায় পরিবারের হাতে নতুন বস্ত্র তুলে দেয় দুর্বার উন্নয়ন সংস্থা।

বস্ত্র পেয়ে অসহায় নারী-পুরুষ ও শিশুদের মুখে ফুটে ওঠে আনন্দের হাসি। তারা জানান, উৎসবের আগে এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। এ ধরনের কাজ মানুষকে শুধু উপকৃতই করে না, বরং সমাজে মানবিকতার বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন-দুর্বার উন্নয়ন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও চিতলমারী প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ ইসমাইল হোসেন, চিতলমারী প্রেসক্লাবের সভাপতি একরামুল হক মুন্সি, সহ-সভাপতি এসএম শহীদুল হক টিপু, সাধারণ সম্পাদক অরুন কুমার সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রিন্স মন্ডল অলিফসহ প্রেসক্লাবের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

‎দুর্বার উন্নয়ন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোঃ ইসমাইল হোসেন বলেন, মানবতার সেবাই দুর্বারের মূল লক্ষ্য। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারাটাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। চিতলমারী প্রেসক্লাবের সহযোগিতায় এই উদ্যোগ সফলভাবে সম্পন্ন করতে পেরে আমি আনন্দিত। ভবিষ্যতেও দুর্বার উন্নয়ন সংস্থা সমাজের উন্নয়নে কাজ করে যাবে।‎

চিতলমারী প্রেসক্লাবের সভাপতি একরামুল হক মুন্সি বলেন, দুর্বার উন্নয়ন সংস্থার এ মহৎ উদ্যোগে আমরা পাশে থাকতে পেরে গর্বিত। উৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে এই কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। চিতলমারী প্রেসক্লাব সর্বদা মানবিক কাজে দুর্বারের সহযোগী হয়ে থাকতে আগ্রহী।

‎বস্ত্র পেয়ে সুবিধাভোগীরা আনন্দ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, আমাদের কথা খুব কম মানুষ ভাবে। দুর্বার উন্নয়ন সংস্থা ও চিতলমারী প্রেসক্লাব আমাদের পাশে দাঁড়িয়ে যে ভালোবাসা দেখিয়েছে, আমরা তাদের জন্য দোয়া করি।

‎সামাজিক উন্নয়ন ও মানবিক কর্মকাণ্ডে দুর্বার উন্নয়ন সংস্থার এমন ভূমিকা এলাকাবাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছে। স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী নিজ নিজ অবস্থানে অনড়, ভোটের মাঠে স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও রয়েছে শক্ত অবস্থানে

দুর্বার উন্নয়ন সংস্থার সহযোগিতায় চিতলমারীতে অসহায়দের মাঝে বস্ত্র বিতরণ

Update Time : ০১:২৫:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করল দুর্বার উন্নয়ন সংস্থা। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চিতলমারী প্রেসক্লাবের সহযোগিতায় উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে ঘুরে অসহায় পরিবারের হাতে নতুন বস্ত্র তুলে দেয় দুর্বার উন্নয়ন সংস্থা।

বস্ত্র পেয়ে অসহায় নারী-পুরুষ ও শিশুদের মুখে ফুটে ওঠে আনন্দের হাসি। তারা জানান, উৎসবের আগে এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। এ ধরনের কাজ মানুষকে শুধু উপকৃতই করে না, বরং সমাজে মানবিকতার বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন-দুর্বার উন্নয়ন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও চিতলমারী প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ ইসমাইল হোসেন, চিতলমারী প্রেসক্লাবের সভাপতি একরামুল হক মুন্সি, সহ-সভাপতি এসএম শহীদুল হক টিপু, সাধারণ সম্পাদক অরুন কুমার সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রিন্স মন্ডল অলিফসহ প্রেসক্লাবের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

‎দুর্বার উন্নয়ন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোঃ ইসমাইল হোসেন বলেন, মানবতার সেবাই দুর্বারের মূল লক্ষ্য। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারাটাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। চিতলমারী প্রেসক্লাবের সহযোগিতায় এই উদ্যোগ সফলভাবে সম্পন্ন করতে পেরে আমি আনন্দিত। ভবিষ্যতেও দুর্বার উন্নয়ন সংস্থা সমাজের উন্নয়নে কাজ করে যাবে।‎

চিতলমারী প্রেসক্লাবের সভাপতি একরামুল হক মুন্সি বলেন, দুর্বার উন্নয়ন সংস্থার এ মহৎ উদ্যোগে আমরা পাশে থাকতে পেরে গর্বিত। উৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে এই কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। চিতলমারী প্রেসক্লাব সর্বদা মানবিক কাজে দুর্বারের সহযোগী হয়ে থাকতে আগ্রহী।

‎বস্ত্র পেয়ে সুবিধাভোগীরা আনন্দ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, আমাদের কথা খুব কম মানুষ ভাবে। দুর্বার উন্নয়ন সংস্থা ও চিতলমারী প্রেসক্লাব আমাদের পাশে দাঁড়িয়ে যে ভালোবাসা দেখিয়েছে, আমরা তাদের জন্য দোয়া করি।

‎সামাজিক উন্নয়ন ও মানবিক কর্মকাণ্ডে দুর্বার উন্নয়ন সংস্থার এমন ভূমিকা এলাকাবাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছে। স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।