০৫:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে মাদকের সম্রাট শালা দুলাভাই,নিরব ভূমিকায় স্থানীয় প্রশাসন

ফরিদপুরে শহরের পূর্ব আলীপুর গোরস্তানের সংলগ্ন আব্দুল খালেক মিয়ার পুত্র হুমায়ন খান ববি এবং তার বোন জামাই শেখ শাহিদ ও বোন খালেদাকে নিয়ে শহর থেকে শহরের বাইরে গড়ে তুলেছে মাদকের রমরমা ব্যবসায়। এলাকায় বসিয়েছে মাদকের হাট বাজার। সাথে রয়েছে মানব পাচারের অভিযোগ।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, হুসায়ন খান ববির পিতা সামান্য একজন সো- মেইলের কর্মচারি। যার নুন আনতে পান্তা ফুড়ায়। তার ছেলে হুমায়ুন খান ববি এলাকার একজন বেকার ছেলে নামে পরিচিত, হঠাৎ করে ৬ তলা ফাউন্ডেশন ৩ তলা বাড়ি করে গড়ে তুলেছে, নিজের ৪- ৫ লক্ষ টাকা মোটর সাইকেল চলাচল করে, মাঝে মাঝে প্রাইভেট কার মাইক্রোবাস গাড়িতে চলাফরা করে থাকে, এই দেখে স্থানীয় বাসিন্দারের চোখে ধাঁধা লাগিয়ে দিয়েছে।

জানাযায়, হুমায়ুন খান ববির ভগ্নিপতি শেখ শাহিদ ও বোন খালেদার ছত্রছায় থেকে তার আজ এই উন্নতি। শেখ শাহিদ ও তার স্ত্রী খালেদা পেশাদর মাদক ব্যবসায়ী।২০০০১ সাল থেকে এই কর্মকান্ড এর সাথে তারা জড়িত। ববির বোন খালেদাকে বিবাহ করে স্বামী স্ত্রী দুইজন মিলে মাদক ব্যবসায় করতে থাকে। এর পর এই ব্যবসাকে আরও বড় করার জন্য বেকার শ্যালক ববিকে পাটনার হিসাবে নিয়ে গড়ে তুলে মাদকের সাম্রাজ্য।

এদের মাদকের সরবাহের স্থান যশোর কালীগঞ্জ, খুলনা, বেনাপোল বর্ডার। ফেন্সিডিল,ইয়াবা সহ মাদকের নানা সরঞ্জাম সরবরাহ করে থাকে এই অঞ্চল থেকে। আর এদের প্রধান যানবাহন গরু ভর্তি ট্রাক, বড় বড় কোমড়া ভর্তি ট্রাক।

বর্তমানে রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দর মোর সংলগ্ন নিমতলী এলাকা থেকে সপ্তাহে ৩ দিন বিপুল পরিমান মাদক সংগ্রহ করে শহরের ভিতর থেকে শহরের বাইরে মোবাইল ফোনে সহ বিভিন্ন কৌশলে বিক্রি করে থাকে।প্রতিদিন ভোর থেকে গভীর রাত্রি পর্যন্ত আলিপুরের গোরস্থানের মোড় থেকে এদের কর্মকান্ড চলতে থাকে। আইনের চোখে ধুলো দিয়ে।

জানাযায় আ’ লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন এক ছাত্র নেতার সকল ধরনের বৈধ অবৈধ কাজ করতেন হুমায়ুন খান ববি। তার কৃতকর্ম ডাকার জন্য স্থানীয় কিছু কন্ট্রাক্টরের সাথে জড়িত হয়ে ঠিকাদারিতে নাম লেখান তিনি।

নাম প্রকাশের ও অনিচ্ছুক তারা জানায় শুধু মাদক ব্যবসা নয় ববির রয়েছে নারী ঘঠিত ব্যবসা, নারীদের সাথে অবৈধ সম্পর্ক তৈরি করে তাদেরকে ব্ল্যাকমেইল করে হাতি নিয়ে থাকে স্বর্ণলকার সহ টাকা পয়সা। রয়েছে তার নারীদের নিয়ে তৈরী বড় একটি চত্রু। এরা বিভিন্ন হোটেল সহ বড় বড় টাকা পয়সা অলাদের নারী সরবাহ করে থাকেন। হুমায়ুন খান ববি একা নয় এর সাথে কালো ছায়ার আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে কালো শক্তি। ববিকে আইনের আওতায় নেয়া হলে বের আসবে সব রহস্য। ববির ভগ্নিপতি শেখ শাহিদ বেশ কিছুবার আইনের হাতে ধরা পড়লেও ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যায় শ্যালক ববি ও স্ত্রী খালেদা।

স্থানীয় সূত্রে আর ও জানাযায় এই হুমায়ুন খান ববি, ভগ্নিপতি শেখ শাহিদ, বোন খালেদা আলিপুরে ইয়াবা ও ফেন্সিডিল সরবরাহ করে যুব সমাজন সহ বিভিন্ন ছেলে মেয়েদের জীবন নষ্ট করে ফেলেছে।এদের জন্য এলাকায় ভালো কোন ছেলে মেয়েরা চলাচল করতে পারে না। বিভিন্ন মেয়েদের ব্ল্যাকমেল করে মানব পাচার করে থাকে এদের সাথে জড়িত রয়েছে আরো কিছু চক্র।

কিছু দিন গত হয়েছে ফরিদপুর শহরের গুহ লক্ষ্মীপুর লাশ কাটা ঘর স্থান বস্তিতে যৌথ বাহিনী অভিয়ান করে মাদক সম্রাজ্ঞী শাহিদা সহ ১৫ জনকে আটক করে।এই বস্তুিতে মাদক সরবাহ করতেন এরা তিনজন। মাদক সম্রাজ্ঞী শাহিদার সাথে ছিল তাদের নিবিড় সম্পর্ক। তবে রয়ে যায় ধরা ছোঁয়ার বাইরে।

স্থানীয় বাসিন্দা সহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দাবি জানায় তদন্ত পূর্বক শেখ শাহিদ তার শ্যালক হুমায়ুন খান ববি, বোন খালেদা বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে বড় একটি চক্রের সন্ধান পাওয়া যাবে পাশাপাশি এলাকায় শান্তি ফিরে আসবে।

মাদকের অভিযোগের বিষয়ে র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক বলেন,মাদক সেবক ও মাদক বিক্রি সাথে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।রাজনৈতিক পরিচয়ে কেউ মাদক ব‍্যবসার সাথে জডিয়ে পড়লে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে।

মাদক বিক্রির অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত হুমায়ন খান ববির কাছে জানতে চাইলে তিনি এলাকার রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের ফোনে ধরিয়ে দেন ও নিজেকে নির্দোষ দাবী করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী নিজ নিজ অবস্থানে অনড়, ভোটের মাঠে স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও রয়েছে শক্ত অবস্থানে

ফরিদপুরে মাদকের সম্রাট শালা দুলাভাই,নিরব ভূমিকায় স্থানীয় প্রশাসন

Update Time : ১২:৪৪:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫

ফরিদপুরে শহরের পূর্ব আলীপুর গোরস্তানের সংলগ্ন আব্দুল খালেক মিয়ার পুত্র হুমায়ন খান ববি এবং তার বোন জামাই শেখ শাহিদ ও বোন খালেদাকে নিয়ে শহর থেকে শহরের বাইরে গড়ে তুলেছে মাদকের রমরমা ব্যবসায়। এলাকায় বসিয়েছে মাদকের হাট বাজার। সাথে রয়েছে মানব পাচারের অভিযোগ।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, হুসায়ন খান ববির পিতা সামান্য একজন সো- মেইলের কর্মচারি। যার নুন আনতে পান্তা ফুড়ায়। তার ছেলে হুমায়ুন খান ববি এলাকার একজন বেকার ছেলে নামে পরিচিত, হঠাৎ করে ৬ তলা ফাউন্ডেশন ৩ তলা বাড়ি করে গড়ে তুলেছে, নিজের ৪- ৫ লক্ষ টাকা মোটর সাইকেল চলাচল করে, মাঝে মাঝে প্রাইভেট কার মাইক্রোবাস গাড়িতে চলাফরা করে থাকে, এই দেখে স্থানীয় বাসিন্দারের চোখে ধাঁধা লাগিয়ে দিয়েছে।

জানাযায়, হুমায়ুন খান ববির ভগ্নিপতি শেখ শাহিদ ও বোন খালেদার ছত্রছায় থেকে তার আজ এই উন্নতি। শেখ শাহিদ ও তার স্ত্রী খালেদা পেশাদর মাদক ব্যবসায়ী।২০০০১ সাল থেকে এই কর্মকান্ড এর সাথে তারা জড়িত। ববির বোন খালেদাকে বিবাহ করে স্বামী স্ত্রী দুইজন মিলে মাদক ব্যবসায় করতে থাকে। এর পর এই ব্যবসাকে আরও বড় করার জন্য বেকার শ্যালক ববিকে পাটনার হিসাবে নিয়ে গড়ে তুলে মাদকের সাম্রাজ্য।

এদের মাদকের সরবাহের স্থান যশোর কালীগঞ্জ, খুলনা, বেনাপোল বর্ডার। ফেন্সিডিল,ইয়াবা সহ মাদকের নানা সরঞ্জাম সরবরাহ করে থাকে এই অঞ্চল থেকে। আর এদের প্রধান যানবাহন গরু ভর্তি ট্রাক, বড় বড় কোমড়া ভর্তি ট্রাক।

বর্তমানে রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দর মোর সংলগ্ন নিমতলী এলাকা থেকে সপ্তাহে ৩ দিন বিপুল পরিমান মাদক সংগ্রহ করে শহরের ভিতর থেকে শহরের বাইরে মোবাইল ফোনে সহ বিভিন্ন কৌশলে বিক্রি করে থাকে।প্রতিদিন ভোর থেকে গভীর রাত্রি পর্যন্ত আলিপুরের গোরস্থানের মোড় থেকে এদের কর্মকান্ড চলতে থাকে। আইনের চোখে ধুলো দিয়ে।

জানাযায় আ’ লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন এক ছাত্র নেতার সকল ধরনের বৈধ অবৈধ কাজ করতেন হুমায়ুন খান ববি। তার কৃতকর্ম ডাকার জন্য স্থানীয় কিছু কন্ট্রাক্টরের সাথে জড়িত হয়ে ঠিকাদারিতে নাম লেখান তিনি।

নাম প্রকাশের ও অনিচ্ছুক তারা জানায় শুধু মাদক ব্যবসা নয় ববির রয়েছে নারী ঘঠিত ব্যবসা, নারীদের সাথে অবৈধ সম্পর্ক তৈরি করে তাদেরকে ব্ল্যাকমেইল করে হাতি নিয়ে থাকে স্বর্ণলকার সহ টাকা পয়সা। রয়েছে তার নারীদের নিয়ে তৈরী বড় একটি চত্রু। এরা বিভিন্ন হোটেল সহ বড় বড় টাকা পয়সা অলাদের নারী সরবাহ করে থাকেন। হুমায়ুন খান ববি একা নয় এর সাথে কালো ছায়ার আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে কালো শক্তি। ববিকে আইনের আওতায় নেয়া হলে বের আসবে সব রহস্য। ববির ভগ্নিপতি শেখ শাহিদ বেশ কিছুবার আইনের হাতে ধরা পড়লেও ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যায় শ্যালক ববি ও স্ত্রী খালেদা।

স্থানীয় সূত্রে আর ও জানাযায় এই হুমায়ুন খান ববি, ভগ্নিপতি শেখ শাহিদ, বোন খালেদা আলিপুরে ইয়াবা ও ফেন্সিডিল সরবরাহ করে যুব সমাজন সহ বিভিন্ন ছেলে মেয়েদের জীবন নষ্ট করে ফেলেছে।এদের জন্য এলাকায় ভালো কোন ছেলে মেয়েরা চলাচল করতে পারে না। বিভিন্ন মেয়েদের ব্ল্যাকমেল করে মানব পাচার করে থাকে এদের সাথে জড়িত রয়েছে আরো কিছু চক্র।

কিছু দিন গত হয়েছে ফরিদপুর শহরের গুহ লক্ষ্মীপুর লাশ কাটা ঘর স্থান বস্তিতে যৌথ বাহিনী অভিয়ান করে মাদক সম্রাজ্ঞী শাহিদা সহ ১৫ জনকে আটক করে।এই বস্তুিতে মাদক সরবাহ করতেন এরা তিনজন। মাদক সম্রাজ্ঞী শাহিদার সাথে ছিল তাদের নিবিড় সম্পর্ক। তবে রয়ে যায় ধরা ছোঁয়ার বাইরে।

স্থানীয় বাসিন্দা সহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দাবি জানায় তদন্ত পূর্বক শেখ শাহিদ তার শ্যালক হুমায়ুন খান ববি, বোন খালেদা বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে বড় একটি চক্রের সন্ধান পাওয়া যাবে পাশাপাশি এলাকায় শান্তি ফিরে আসবে।

মাদকের অভিযোগের বিষয়ে র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক বলেন,মাদক সেবক ও মাদক বিক্রি সাথে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।রাজনৈতিক পরিচয়ে কেউ মাদক ব‍্যবসার সাথে জডিয়ে পড়লে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে।

মাদক বিক্রির অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত হুমায়ন খান ববির কাছে জানতে চাইলে তিনি এলাকার রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের ফোনে ধরিয়ে দেন ও নিজেকে নির্দোষ দাবী করেন।