
চিতলমারী উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য, নগদ অর্থ ও দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করা হয়েছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেলে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের আওতাধীন ২৮ পদাতিক ব্রিগেডের অধীনস্থ ৪৩ বীর (রিয়ার) ইউনিটের চিতলমারী আর্মি ক্যাম্প থেকে একটি বিশেষ অপারেশন টিম অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে চিতলমারী উপজেলার ২নং কলাতলা ইউনিয়নের বড় লিচুতলা এলাকায় পুলিশের সহযোগিতায় এই যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযান চলাকালে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মো. মুজাহিদ (২৬), পিতা— মো. বাবর শেখকে আটক করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে ২ হাজার ১১০ পিস ইয়াবা, ২.৫ কেজি গাঁজা এবং নগদ ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৫৫০ টাকা উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও তার কাছ থেকে ১টি মোবাইল ফোন, ১টি ল্যাপটপ, ৩টি পাসপোর্ট এবং গাঁজা মাপার একটি মেশিন জব্দ করা হয়।
পরবর্তীতে আটক ব্যক্তির বসতঘর ও আশপাশের এলাকা তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে— ২টি চাইনিজ কুড়াল, ২টি ছোরা, ৫টি হাসুয়া, ৬টি রামদা, ১টি হাতুড়ি, ৬টি সড়কি ও ৫টি ফুলকুচি।
আটক অভিযুক্তকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চিতলমারী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে চিতলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নজরুল ইসলাম জানান, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং প্রক্রিয়া শেষে নিয়মিত মামলা রুজু করা হবে।
অভিযান প্রসঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৪৩ বীর ইউনিটের অধিনায়ক মেজর এ আর এম মেহরাব বলেন, “মাদকবিরোধী এই অভিযান একটি চলমান প্রক্রিয়া। সমাজ থেকে মাদকের ব্যবহার ও বিস্তার নির্মূলে সেনাবাহিনী সর্বদা সচেষ্ট ও বদ্ধপরিকর। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
নিজস্ব প্রতিবেদক : 








