০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তরুণ সাংবাদিক সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ মোঃ ইসমাইল হোসেনের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

তরুণ সাংবাদিক সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ মোঃ ইসমাইল হোসেনে।

‎বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে উঠে আসা তরুণ সাংবাদিক মোঃ ইসমাইল হোসেন আজ সারা দেশের মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি মানবতার সেবায় নিজেকে নিবেদন করে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন দুর্বার উন্নয়ন সংস্থা। আর সেখান থেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি গড়ে তুলেছেন রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ ইনোভেশন পার্টি (বিআইপি) এবং হয়েছেন দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান।

‎ইসমাইল হোসেনের জন্ম ১৯৯০ এর দশকের শেষের দিকে চিতলমারীর কলিগাতী গ্রামে (বর্তমান আড়ুয়াবর্ণী চরপাড়া)। পিতা মোঃ আব্দুল লতীফ মোল্লা ও মাতা মিলন বেগমের আদর্শে বেড়ে ওঠা ইসমাইল শৈশব থেকেই মানুষের জন্য কিছু করার স্বপ্ন দেখতেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেয় ২০১৮ সালে আনন্দ টেলিভিশনে যোগদানের মাধ্যমে। এরপর তিনি দৈনিক মানবজীবন, দৈনিক ভোরের পাতা সহ বিভিন্ন প্রভাবশালী গণমাধ্যমে কাজ করেন। বর্তমানে তিনি জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল এসএ টেলিভিশনে রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

‎তবে সাংবাদিকতার সীমানায় আটকে থাকেননি ইসমাইল। সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন দুর্বার উন্নয়ন সংস্থা, যা দরিদ্র ও বিপন্ন মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে। এর ধারাবাহিকতায় তিনি উপলব্ধি করেন— শুধু সামাজিক উদ্যোগ নয়, বরং রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করলেই প্রকৃত পরিবর্তন আনা সম্ভব। তাই তিনি প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ ইনোভেশন পার্টি (বিআইপি), যার মূল লক্ষ্য হলো নতুন প্রজন্মকে সঙ্গে নিয়ে দেশ ও জাতির উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়া।

‎নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ইসমাইল হোসেন বলেন:

‎আমি সংবাদ পেশায়, মানবসেবায় এবং রাজনীতিতে নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই। আমি তাদের কথা বলতে চাই যারা তাদের কথা বলতে পারে না। আমি এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে তরুণদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে।

‎তিনি বিশ্বাস করেন— সাংবাদিকতা, সমাজসেবা ও রাজনীতির সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই দেশের জন্য সত্যিকারের পরিবর্তন আনা সম্ভব। ইসমাইল সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দুর্বার উন্নয়ন সংস্থা এবং বাংলাদেশ ইনোভেশন পার্টির কার্যক্রমে সহযোগিতা করার জন্য। পাশাপাশি তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন যেন আল্লাহ তাকে দেশ ও জাতির সেবায় আজীবন কাজ করার শক্তি দান করেন।

‎আজ অনেকেই বলছেন- ইসমাইল হোসেন শুধু একজন সাংবাদিক নন, তিনি একজন মানবতার সৈনিক ও তরুণ রাজনীতিবিদ। কলমের শক্তি দিয়ে তিনি যেমন সত্যের পক্ষে কথা বলছেন, তেমনি রাজনীতির মঞ্চ থেকেও একটি নতুন ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।

‎তরুণ প্রজন্মের জন্য তিনি এক উজ্জ্বল অনুপ্রেরণা- একজন সাংবাদিক, সমাজসেবক ও তরুণ রাজনীতিবিদ, যিনি দেশের জন্য পরিবর্তনের নতুন স্বপ্ন দেখাচ্ছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী নিজ নিজ অবস্থানে অনড়, ভোটের মাঠে স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও রয়েছে শক্ত অবস্থানে

তরুণ সাংবাদিক সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ মোঃ ইসমাইল হোসেনের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

Update Time : ০১:১৪:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

‎বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে উঠে আসা তরুণ সাংবাদিক মোঃ ইসমাইল হোসেন আজ সারা দেশের মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি মানবতার সেবায় নিজেকে নিবেদন করে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন দুর্বার উন্নয়ন সংস্থা। আর সেখান থেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি গড়ে তুলেছেন রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ ইনোভেশন পার্টি (বিআইপি) এবং হয়েছেন দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান।

‎ইসমাইল হোসেনের জন্ম ১৯৯০ এর দশকের শেষের দিকে চিতলমারীর কলিগাতী গ্রামে (বর্তমান আড়ুয়াবর্ণী চরপাড়া)। পিতা মোঃ আব্দুল লতীফ মোল্লা ও মাতা মিলন বেগমের আদর্শে বেড়ে ওঠা ইসমাইল শৈশব থেকেই মানুষের জন্য কিছু করার স্বপ্ন দেখতেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেয় ২০১৮ সালে আনন্দ টেলিভিশনে যোগদানের মাধ্যমে। এরপর তিনি দৈনিক মানবজীবন, দৈনিক ভোরের পাতা সহ বিভিন্ন প্রভাবশালী গণমাধ্যমে কাজ করেন। বর্তমানে তিনি জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল এসএ টেলিভিশনে রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

‎তবে সাংবাদিকতার সীমানায় আটকে থাকেননি ইসমাইল। সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন দুর্বার উন্নয়ন সংস্থা, যা দরিদ্র ও বিপন্ন মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে। এর ধারাবাহিকতায় তিনি উপলব্ধি করেন— শুধু সামাজিক উদ্যোগ নয়, বরং রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করলেই প্রকৃত পরিবর্তন আনা সম্ভব। তাই তিনি প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ ইনোভেশন পার্টি (বিআইপি), যার মূল লক্ষ্য হলো নতুন প্রজন্মকে সঙ্গে নিয়ে দেশ ও জাতির উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়া।

‎নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ইসমাইল হোসেন বলেন:

‎আমি সংবাদ পেশায়, মানবসেবায় এবং রাজনীতিতে নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই। আমি তাদের কথা বলতে চাই যারা তাদের কথা বলতে পারে না। আমি এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে তরুণদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে।

‎তিনি বিশ্বাস করেন— সাংবাদিকতা, সমাজসেবা ও রাজনীতির সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই দেশের জন্য সত্যিকারের পরিবর্তন আনা সম্ভব। ইসমাইল সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দুর্বার উন্নয়ন সংস্থা এবং বাংলাদেশ ইনোভেশন পার্টির কার্যক্রমে সহযোগিতা করার জন্য। পাশাপাশি তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন যেন আল্লাহ তাকে দেশ ও জাতির সেবায় আজীবন কাজ করার শক্তি দান করেন।

‎আজ অনেকেই বলছেন- ইসমাইল হোসেন শুধু একজন সাংবাদিক নন, তিনি একজন মানবতার সৈনিক ও তরুণ রাজনীতিবিদ। কলমের শক্তি দিয়ে তিনি যেমন সত্যের পক্ষে কথা বলছেন, তেমনি রাজনীতির মঞ্চ থেকেও একটি নতুন ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।

‎তরুণ প্রজন্মের জন্য তিনি এক উজ্জ্বল অনুপ্রেরণা- একজন সাংবাদিক, সমাজসেবক ও তরুণ রাজনীতিবিদ, যিনি দেশের জন্য পরিবর্তনের নতুন স্বপ্ন দেখাচ্ছেন।