০১:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‎নির্বাচন বিধিমালা সংস্কারের দাবিতে রাজধানীতে ২১ দলের মানববন্ধ

‎ঢাকা, ৬ অক্টোবর ২০২৫: নির্বাচন বিধিমালা সংস্কার আন্দোলন পরিষদের উদ্যোগে রাজধানীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের বিধিমালা সংস্কারের দাবিতে ২১টি রাজনৈতিক দল একত্রিত হয়ে তিন দফা দাবি উত্থাপন করে।


‎তিন দফা দাবি:

‎১- নিবন্ধনে ঘাটতি পূরণে আগ্রহী রাজনৈতিক দলগুলোকে জনস্বার্থে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রাথমিক নিবন্ধন দিতে হবে। ২- প্রাথমিক নিবন্ধন প্রাপ্ত রাজনৈতিক দলগুলোকে কমপক্ষে ১০টি আসনে দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার ঘোষণা দিতে হবে। ৩- প্রাথমিক নিবন্ধন প্রাপ্ত দলগুলোর জন্য আর্থিক প্রণোদনা প্রদান এবং অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশের মতো ডেমোক্রেটিক ফান্ড গঠন করতে হবে।

‎প্রধান বক্তার বক্তব্যে গণঅধিকার পার্টির চেয়ারম্যান ও জাতীয় জোটের চেয়ারম্যান সরদার মোঃ আব্দুস সাত্তার বলেন, রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিধির ৮(ক) ধারায় উল্লেখ আছে, কোনো ব্যক্তি জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে এমপি নির্বাচিত হলে তার দল নিবন্ধনের যোগ্য হবে। আবার ৮(খ) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে ৫% ভোট পেলে সেই দলকেও নিবন্ধন দেওয়া যাবে। কিন্তু বাস্তবে নিবন্ধন ছাড়া কোনো অনিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণই করতে পারে না। এ কারণে এই অস্পষ্ট, অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য শর্ত বাতিল করতে হবে অথবা আমাদেরকে একটি প্রতীক বরাদ্দ দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনুমতি দিতে হবে।

‎৮(গ) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো অনিবন্ধিত দল নিবন্ধনের জন্য আবেদন করলে তাদের কেন্দ্রীয় কমিটি, কেন্দ্রীয় কার্যালয়, অন্তত এক-তৃতীয়াংশ জেলা কমিটি ও জেলা কার্যালয়, এবং এক-তৃতীয়াংশ উপজেলা কমিটি ও উপজেলা কার্যালয় থাকতে হবে। এছাড়াও প্রতিটি উপজেলা কমিটির সঙ্গে ২০০ জন সমর্থকের স্বাক্ষর সংযুক্ত করতে হবে। প্রশ্ন হলো— ভোট মানুষের গোপন বিষয়, তাহলে নির্বাচনের আগে কেন ২০০ ভোটারের সমর্থনপত্র আনতে হবে? এতে তো ভোটের গোপনীয়তা নষ্ট হয়। ফলে এ শর্ত অবৈধ বলেই প্রতীয়মান হয়।

‎অন্যদিকে, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেতনভোগী মাননীয় রাষ্ট্রপতির বেতন ১,২০,০০০ টাকা। অথচ একটি উপজেলা অফিস ভাড়া নিতে মাসে প্রয়োজন অন্তত ১,০০০ টাকা। ১৩০টি উপজেলা অফিসের জন্য প্রয়োজন বিপুল অর্থ। আবার একটি জেলা অফিস ভাড়া মাসে ২৫-৩০ হাজার টাকা হলে ২২টি জেলার জন্য খরচ হয় কয়েক লাখ টাকা। তদুপরি, একটি কেন্দ্রীয় অফিসের ভাড়া প্রায় ৭০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা। সেই হিসেবে কোনো সাধারণ মানুষ বা এমনকি রাষ্ট্রপতির সামর্থ্যেও এসব অফিস পরিচালনা করা সম্ভব নয়। কেবলমাত্র যারা চাঁদাবাজি, দখলবাজি বা টেন্ডারবাজির মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে, তাদের পক্ষেই এমন ব্যয় বহন করা সম্ভব।

‎তাই আমি বলতে চাই, এই অসম্পূর্ণ ও অবৈধ আইন বাতিল করে দ্রুত রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিধিমালা সংস্কার করতে হবে এবং আমাদেরকে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে। অন্যথায় এক সপ্তাহ পর নির্বাচন অফিস ঘেরাও করা হবে এবং জাতীয় নির্বাচন বন্ধ ঘোষণা করা হবে। যতদিন আমাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি না হবে, ততদিন কোনো জাতীয় নির্বাচন হতে দেওয়া যাবে না।

‎এসময় তিনি আরো বলেন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে হলে ছোট-বড় সকল রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে। নিবন্ধনের কঠোর শর্ত ছোট দলগুলোর জন্য প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। তাই এই তিন দফা দাবি বাস্তবায়ন জরুরি।

‎প্রস্তাবকের বক্তব্যে বাংলাদেশ সৎ সংগ্রামী ভোটার পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোবারক হোসেন (বিজ্ঞানী) বলেন, আমরা চাই দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় সব রাজনৈতিক দল সমান সুযোগ পাক। এজন্য প্রাথমিক নিবন্ধন, আর্থিক সহায়তা এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

‎মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন ২১ দলের চেয়ারম্যান ও প্রতিনিধি। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যঃ

‎বাংলাদেশ জনপ্রিয় পার্টি – সিরাজুল ইসলাম আকাশ, বাংলাদেশ পিপলস্ পার্টি – মোঃ মোস্তফা কামাল বাদল, বাংলাদেশ একুশে পার্টি – রবিউল আউয়াল, জাতীয় মুক্তিদল – বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.টি.এম. মমতাজুল করিম, ডেমোক্রেটিক অ্যাকশন পার্টি – মোসলেম আলী, বাংলাদেশ গ্রীন পার্টি – ইঞ্জিনিয়ার মানসুর, বাংলাদেশ ন্যাশনাল রিপাবলিকেশন পার্টি – মোঃ ইউসুফ পারভেজ,
‎জাতীয় ওলামা কাউন্সিল – মাওলানা আতাউর রহমান আতিকী, বাংলাদেশ নাগরিক পার্টি – মোঃ আমজাদ হোসেন সজল, বাংলাদেশ মানবিক পার্টি – আঃ রাজ্জাক, বাংলাদেশ ইনোভেশন পার্টি – মোঃ ইসমাইল হোসেন, বাংলাদেশ জনতা লীগ – সাংবাদিক মোঃ মানসুর রহমান পাশা, বাংলাদেশ মুক্তি পার্টি – সাংবাদিক দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ গরিব দুঃখী জনতা পার্টি – নিউটন অধীকারী, ইসলামী লিভারেল পার্টি – মুফতি ফরিদ আহমেদ, বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট পার্টি – এ্যাডভোকেট আলমগীর, বাংলাদেশ মানবাধিকার আন্দোলন – খাজা মহিবুল্লাহ শান্তিপুরী, ন্যাশনাল সবুজ বাংলা পার্টি – মোঃ শাহ আলম তাহের,
‎বাংলাদেশ গ্রামীণ কল্যাণ পার্টি – মোঃ মজিবুর রহমান, খেলাফতে দাওয়াত ইসলামী পার্টি – মুফতি মিজবাহ উদ্দিন, বাংলাদেশ সৎ সংগ্রামী ভোটার পার্টি – মোবারক হোসেন (বিজ্ঞানী), এছাড়াও আরও অসংখ্য দল ও সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

‎২১টি রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ একযোগে ঘোষণা করেন- আমরা এই তিন দফা দাবিকে সমর্থন করছি এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি যেন দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সংস্কার করা হয়।

‎মানববন্ধনে বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে সকল দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের স্বার্থেই এই তিন দফা দাবি বাস্তবায়ন সময়ের দাবি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী নিজ নিজ অবস্থানে অনড়, ভোটের মাঠে স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও রয়েছে শক্ত অবস্থানে

‎নির্বাচন বিধিমালা সংস্কারের দাবিতে রাজধানীতে ২১ দলের মানববন্ধ

Update Time : ১১:২২:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

‎ঢাকা, ৬ অক্টোবর ২০২৫: নির্বাচন বিধিমালা সংস্কার আন্দোলন পরিষদের উদ্যোগে রাজধানীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের বিধিমালা সংস্কারের দাবিতে ২১টি রাজনৈতিক দল একত্রিত হয়ে তিন দফা দাবি উত্থাপন করে।


‎তিন দফা দাবি:

‎১- নিবন্ধনে ঘাটতি পূরণে আগ্রহী রাজনৈতিক দলগুলোকে জনস্বার্থে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রাথমিক নিবন্ধন দিতে হবে। ২- প্রাথমিক নিবন্ধন প্রাপ্ত রাজনৈতিক দলগুলোকে কমপক্ষে ১০টি আসনে দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার ঘোষণা দিতে হবে। ৩- প্রাথমিক নিবন্ধন প্রাপ্ত দলগুলোর জন্য আর্থিক প্রণোদনা প্রদান এবং অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশের মতো ডেমোক্রেটিক ফান্ড গঠন করতে হবে।

‎প্রধান বক্তার বক্তব্যে গণঅধিকার পার্টির চেয়ারম্যান ও জাতীয় জোটের চেয়ারম্যান সরদার মোঃ আব্দুস সাত্তার বলেন, রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিধির ৮(ক) ধারায় উল্লেখ আছে, কোনো ব্যক্তি জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে এমপি নির্বাচিত হলে তার দল নিবন্ধনের যোগ্য হবে। আবার ৮(খ) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে ৫% ভোট পেলে সেই দলকেও নিবন্ধন দেওয়া যাবে। কিন্তু বাস্তবে নিবন্ধন ছাড়া কোনো অনিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণই করতে পারে না। এ কারণে এই অস্পষ্ট, অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য শর্ত বাতিল করতে হবে অথবা আমাদেরকে একটি প্রতীক বরাদ্দ দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনুমতি দিতে হবে।

‎৮(গ) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো অনিবন্ধিত দল নিবন্ধনের জন্য আবেদন করলে তাদের কেন্দ্রীয় কমিটি, কেন্দ্রীয় কার্যালয়, অন্তত এক-তৃতীয়াংশ জেলা কমিটি ও জেলা কার্যালয়, এবং এক-তৃতীয়াংশ উপজেলা কমিটি ও উপজেলা কার্যালয় থাকতে হবে। এছাড়াও প্রতিটি উপজেলা কমিটির সঙ্গে ২০০ জন সমর্থকের স্বাক্ষর সংযুক্ত করতে হবে। প্রশ্ন হলো— ভোট মানুষের গোপন বিষয়, তাহলে নির্বাচনের আগে কেন ২০০ ভোটারের সমর্থনপত্র আনতে হবে? এতে তো ভোটের গোপনীয়তা নষ্ট হয়। ফলে এ শর্ত অবৈধ বলেই প্রতীয়মান হয়।

‎অন্যদিকে, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেতনভোগী মাননীয় রাষ্ট্রপতির বেতন ১,২০,০০০ টাকা। অথচ একটি উপজেলা অফিস ভাড়া নিতে মাসে প্রয়োজন অন্তত ১,০০০ টাকা। ১৩০টি উপজেলা অফিসের জন্য প্রয়োজন বিপুল অর্থ। আবার একটি জেলা অফিস ভাড়া মাসে ২৫-৩০ হাজার টাকা হলে ২২টি জেলার জন্য খরচ হয় কয়েক লাখ টাকা। তদুপরি, একটি কেন্দ্রীয় অফিসের ভাড়া প্রায় ৭০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা। সেই হিসেবে কোনো সাধারণ মানুষ বা এমনকি রাষ্ট্রপতির সামর্থ্যেও এসব অফিস পরিচালনা করা সম্ভব নয়। কেবলমাত্র যারা চাঁদাবাজি, দখলবাজি বা টেন্ডারবাজির মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে, তাদের পক্ষেই এমন ব্যয় বহন করা সম্ভব।

‎তাই আমি বলতে চাই, এই অসম্পূর্ণ ও অবৈধ আইন বাতিল করে দ্রুত রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিধিমালা সংস্কার করতে হবে এবং আমাদেরকে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে। অন্যথায় এক সপ্তাহ পর নির্বাচন অফিস ঘেরাও করা হবে এবং জাতীয় নির্বাচন বন্ধ ঘোষণা করা হবে। যতদিন আমাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি না হবে, ততদিন কোনো জাতীয় নির্বাচন হতে দেওয়া যাবে না।

‎এসময় তিনি আরো বলেন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে হলে ছোট-বড় সকল রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে। নিবন্ধনের কঠোর শর্ত ছোট দলগুলোর জন্য প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। তাই এই তিন দফা দাবি বাস্তবায়ন জরুরি।

‎প্রস্তাবকের বক্তব্যে বাংলাদেশ সৎ সংগ্রামী ভোটার পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোবারক হোসেন (বিজ্ঞানী) বলেন, আমরা চাই দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় সব রাজনৈতিক দল সমান সুযোগ পাক। এজন্য প্রাথমিক নিবন্ধন, আর্থিক সহায়তা এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

‎মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন ২১ দলের চেয়ারম্যান ও প্রতিনিধি। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যঃ

‎বাংলাদেশ জনপ্রিয় পার্টি – সিরাজুল ইসলাম আকাশ, বাংলাদেশ পিপলস্ পার্টি – মোঃ মোস্তফা কামাল বাদল, বাংলাদেশ একুশে পার্টি – রবিউল আউয়াল, জাতীয় মুক্তিদল – বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.টি.এম. মমতাজুল করিম, ডেমোক্রেটিক অ্যাকশন পার্টি – মোসলেম আলী, বাংলাদেশ গ্রীন পার্টি – ইঞ্জিনিয়ার মানসুর, বাংলাদেশ ন্যাশনাল রিপাবলিকেশন পার্টি – মোঃ ইউসুফ পারভেজ,
‎জাতীয় ওলামা কাউন্সিল – মাওলানা আতাউর রহমান আতিকী, বাংলাদেশ নাগরিক পার্টি – মোঃ আমজাদ হোসেন সজল, বাংলাদেশ মানবিক পার্টি – আঃ রাজ্জাক, বাংলাদেশ ইনোভেশন পার্টি – মোঃ ইসমাইল হোসেন, বাংলাদেশ জনতা লীগ – সাংবাদিক মোঃ মানসুর রহমান পাশা, বাংলাদেশ মুক্তি পার্টি – সাংবাদিক দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ গরিব দুঃখী জনতা পার্টি – নিউটন অধীকারী, ইসলামী লিভারেল পার্টি – মুফতি ফরিদ আহমেদ, বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট পার্টি – এ্যাডভোকেট আলমগীর, বাংলাদেশ মানবাধিকার আন্দোলন – খাজা মহিবুল্লাহ শান্তিপুরী, ন্যাশনাল সবুজ বাংলা পার্টি – মোঃ শাহ আলম তাহের,
‎বাংলাদেশ গ্রামীণ কল্যাণ পার্টি – মোঃ মজিবুর রহমান, খেলাফতে দাওয়াত ইসলামী পার্টি – মুফতি মিজবাহ উদ্দিন, বাংলাদেশ সৎ সংগ্রামী ভোটার পার্টি – মোবারক হোসেন (বিজ্ঞানী), এছাড়াও আরও অসংখ্য দল ও সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

‎২১টি রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ একযোগে ঘোষণা করেন- আমরা এই তিন দফা দাবিকে সমর্থন করছি এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি যেন দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সংস্কার করা হয়।

‎মানববন্ধনে বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে সকল দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের স্বার্থেই এই তিন দফা দাবি বাস্তবায়ন সময়ের দাবি।