
চিতলমারী মোল্লাহাট ফকিরহাট এই তিন উপজেলা নিয়ে বাগেরহাট ১ আসন। এবারের এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবচেয়ে আলোচিত সমালোচিত আসনগুলোর একটি। তবে এবার সরকার পরিবর্তনের পর বিএনপির অর্ধডজন নেতা মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন।
সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে শেষ পর্যন্ত বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেয়া হয় মতুয়া বহু জন সমাজ ঐক্য জোটের সাধারণ সম্পাদক কপিল কৃষ্ণ মন্ডলকে। দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে প্রচার প্রচারণা ব্যস্ত আছেন। অপরদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বাগেরহাট ২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম। তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও ব্যক্তি ইমেজ কাজে লাগিয়ে সাধারণ জনগনের মন জয় করার চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে বাগেরহাট জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য (বহিষ্কৃত) মো: মাসুদ রানা ভোটারদের ধারে ধারে গিয়ে চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে চেষ্টা করছেন। বিএনপি দলীয় নেতাকর্মী এই দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে গোপনে ও নীরবে কাজ করছেন বলে জানা গেছে।
এই আসনে বাংলাদেশ;
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন কেন্দ্রীয় শুরা কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ মশিউর রহমান খান। ৫ ই আগস্ট ২০২৪, সরকার পতনের পর সাংগঠনিক তৎপরতা ও মাঠ পর্যায়ে প্রচারণা বাড়তি সুবিধা দেবে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।
এছাড়া নিজ নিজ দলের প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মুসলিম লীগ, জাতীয় পার্টি, মুসলিম লীগ (বিএমএল) এবি পার্টির প্রার্থী।
সাধারণ ভোটারদের মতে, বাগেরহাট ১ আসনে দ্বিমুখী অথবা ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
আজাদ খান, চিতলমারী: 








